চট্টগ্রামে সংঘাত-সংঘর্ষে ভোট সম্পন্ন

দিনভর সংঘাত-সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, গোলাগুলি, ইভিএম ভাংচুরসহ নানা অঘটনের মধ্য দিয়ে বুধবার শেষে হয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন।

শুরু থেকেই বিশেষ করে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে হানাহানির যে আশঙ্কা করা হয়েছিল, সাধারণ ভোটারদের মধ্যে যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ছিল, সেইসবের প্রতিফলন ঘটেছে ভোটের মাঠে। পাহাড়তলী ওয়ার্ডের একটি কেন্দ্রে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন আলাউদ্দিন আলম (২৩) নামে এক যুবক।

এ ছাড়া বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে ভোট শুরুর পর থেকে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। পৃথক সংঘর্ষে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থক শতাধিক লোক আহত হয়েছেন। যদিও বিএনপির দাবি- তাদের বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর প্রার্থীসহ তাদের ২শ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। নির্বাচনি সহিংসতায় আহত অন্তত ৪০ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কোনো কোনো কেন্দ্রে সংঘাত-সংঘর্ষের কারণে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ থাকে। সংঘর্ষের সময় বিএনপি সমর্থিত দুই কাউন্সিলরসহ বেশ কয়েক জনকে আটক করা হয়। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ-র‌্যাব, বিজিবি বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে লাঠিচার্জ ও টিআরশেল নিক্ষেপ করে। আহত হয় দুই পুলিশ সদস্য। একটি কেন্দ্রে ঘটে ইভিএম মেশিন ভাংচুরের ঘটনা। দুটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়।

এদিকে শুরুতে বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিত থাকলেও দুপুরের পর থেকে ফাঁকা হয়ে যায় অধিকাংশ কেন্দ্র। সকাল ৮টায় ভোট শুরু হলেও ভোটের গতি ছিল অত্যন্ত মন্থর। কেন্দ্রের বাইরে সরকারি দলের নেতাকর্মী ও উৎসুক মানুষের জটলা ছিল। ভেতরে ছিল অনেকটাই ফাঁকা। তবে বুথে ছিল সরকারি দল মনোনীত মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের লোকজনের আধিপত্য। কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও তাদের এজেন্টরাও ছিলেন অনেকটা কোণঠাসা।

এদিকে সকাল ৯টায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী বহদ্দারহাট এখলাছুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর দাবি করেন, ‘সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে ভোট হচ্ছে। ভোটাররা কেন্দ্রে এসে স্বাচ্ছন্দ্যে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিচ্ছেন।’ প্রধান নির্বাচন সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল বিভিন্ন কেন্দ্রে সংঘাত-সংঘর্ষের জন্য বিএনপিকে দায়ী করে বলেন, ‘নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে বিএনপিই বিভিন্ন কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করেছে।’

অন্যদিকে বাকলিয়া বিএড কলেজ কেন্দ্রে সকাল ১০টার দিকে ভোট প্রয়োগ করে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন চসিকের এই নির্বাচনকে প্রহসনের নির্বাচন উল্লেখ করে বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, নির্বাচন কমিশন একাকার হয়ে একটি প্রহসনের নির্বাচন করেছে। সারা বিশ্বের কাছে তিনি প্রহসনের নির্বাচনের প্রমাণ তুলে ধরবেন।’

যেভাবে আলাউদ্দিন নিহত : সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ১৩ নম্বর পাহাড়তলী ওয়ার্ডে ফ্লোরাপাস রোডে রেললাইনের পাশে ইউসেফ আমবাগান টেকনিক্যাল স্কুল কেন্দ্রের সামনে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান আলাউদ্দিন ওরফে আলম (২৩)। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী ও বিদ্রোহী প্রার্থী মাহমুদুর রহমানের অনুসারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ বাধে। এতে মাহমুদুর রহমানের সমর্থক আলাউদ্দিন গুলিবিদ্ধ হন। তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। এখানে আরও চারজন আহত হন। একটি মোটরসাইকেলে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

আলাউদ্দিনের বোন জাহানারা বেগম জানান, ‘আমার ভাই সকালে নাশতা খেতে বের হয়। নাশতা করে তার কাজে যাওয়ার কথা ছিল। তার আগেই আমার ভাইকে গুলি করে মেরে ফেলেছে লাটিম মার্কার সন্ত্রাসীরা। তার স্ত্রী ও এক বছর বয়সি একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।’ তবে সিএমপির উপ-কমিশনার বিজয় বসাক এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘দু’পক্ষের সংঘর্ষের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান আলাউদ্দিন।’ আলাউদ্দিনের মা আসিয়া খাতুন ছেলের মৃত্যু দেখে বারবার শোকে মূর্ছা যাচ্ছিলেন।

দুই কাউন্সিলর প্রার্থী আটক : নির্বাচন চলাকালে ৩৪ নম্বর পাথরঘাটা ওয়ার্ডে বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী মো. ইসমাইল হোসেন বালীকে আটক করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। এ ওয়ার্ডের কয়েকটি কেন্দ্রে মারামারির ঘটনার পর তাকে আটক করা হয়। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আটক ইসমাইল বালীকে কোতোয়ালি থানায় নিয়ে আসার পর তার সমর্থকরা কোতোয়ালি থানা ঘেরাও করে।

মুক্তির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকে। বিকাল ৩টার দিকে নগরীর ৯ নম্বর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থী মো. জহরুল ইসলাম জসিমকে আটক করে পুলিশ। উত্তর ফিরোজ শাহ এলাকা থেকে তাকে আটকের পর তার সমর্থকরা উত্তর পাহাড়তলীর বিশ্বব্যাংক কলোনি এলাকায় টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

দফায় সংঘর্ষ ইভিএম ভাংচুর : নগরীর ১৪ নম্বর লালখান বাজার ওয়ার্ডে সকাল ৮টা থেকেই দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেনসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের এখানে দিনের বেশিরভাগ সময় ব্যস্ত থাকতে হয়। আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী আবুল হাসনাত বেলাল ও বিদ্রোহী প্রার্থী এএফ কবির আহমদ চৌধুরী মানিকের অনুসারীদের মধ্যে কেন্দ্র দখল-বেদখল নিয়ে সকাল থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত অন্তত কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ-বিজিবি ও র‌্যাব এখানে লাঠিচার্জ ও টিআরশেল নিক্ষেপ করে।

এই ওয়ার্ডে সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন লোক আহত হয়। আহতদের উদ্ধারে কাজ করে রেড ক্রিসেন্টের একটি দল। দুপুর ১২টার দিকে সংঘর্ষ থামানোর পর ডিআইজি আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের অনুসারীরা বারবার সংঘর্ষে জড়াচ্ছে। এ কারণে ভোট গ্রহণ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের কঠোর হস্তে দমন করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

আহত ৪০ জন ভর্তি চমেক হাসপাতালে : নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে দফায় দফায় সংঘর্ষে কেবল আওয়ামী লীগ সমর্থিত ও বিদ্রোহী প্রার্থীসহ তাদের অনুসারী শতাধিক লোক আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালেই ভর্তি করা হয়েছে অন্তত ৪০ জনকে। এছাড়া আহতদের অনেকে বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালেও চিকিৎসা নিচ্ছেন।

নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সহিংসতায় আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। বিএনপি মেয়র প্রার্থীর প্রধান নির্বাচন সমন্বয়ক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী দাবি করেছেন, তাদের ২০০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন সরকারি দলের লোকজনের হামলায়।

চমেক হাসপাতাল সূত্র জানায়, ১৪ নম্বর লালখানবাজার ওয়ার্ডে নির্বাচনি সহিংসতায় গুরুতর আহত হয়ে বুধবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয় ১০ জন। ১৩ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডে সংঘর্ষে ১০ জন, চান্দগাঁও ওয়ার্ডে ৪ জন, পাথরঘাটা ও চকবাজার ওয়ার্ডে একজন করে এবং অন্যান্য ওয়ার্ডের ১৪ জনসহ ৪০ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এদের কেউ গুলিবিদ্ধ, কেউ ছুরিকাঘাত কিংবা ইট-পাটকেল এবং লাঠিসোটার আঘাতে আহত হয়েছেন। ১১ নম্বর দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থী মোরশেদ আকতার চৌধুরী সকাল ৮টার দিকে ছুরিকাহত হন। সরাাইপাড়া কাজীর দিঘির পাড় এলাকায় প্রতিপক্ষ কাউন্সিলর প্রার্থীর লোকজন তাকে ছুরিকাঘাত করেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।

২১ নম্বর আন্দরকিল্লা ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নোমান লিটনকে স্বয়ং আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী জহরলাল হাজারি কিল-ঘুষি, লাথি মারেন। লিটন নিজের ফেসবুকে এ নিয়ে স্ট্যাটাস দেন।

৯, ১০ ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থী সখিনা বেগম ছুরিকাহত হন। সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর প্রার্থী তাসলিমা বেগম, নূর জাহান রুবী ও আবিদা আজাদের অনুসারীরা তার ওপর হামলা করে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

২৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর আগ্রাবাদ টিঅ্যান্ডটি কলোনি কেন্দ্রে বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী এসএম ফরিদুল আলমের ওপর বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে হামলার ঘটনা ঘটে। আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী নাজমুল হক ডিউকের সমর্থকরা তার ওপর হামলা চালান। তারা তাকে কেন্দ্রের ভেতর থেকে মারতে মারতে বের করে দেন। হামলায় তার (ফরিদুল) হাত ভেঙে গেছে বলে অভিযোগ করেন।

৩৪ নম্বর পাথরঘাটা ওয়ার্ডে বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী মো. ইসমাইল হোসেন বালী ও আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর প্রার্থী অনুপ খাস্তগীরের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পাথরঘাটা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও জেএম সেন স্কুল ও কলেজ কেন্দ্রে দফায় দফায় এ সংঘর্ষ হয়। উভয় পক্ষের সংঘর্ষে ১০ থেকে ১২ জন আহত হন। এ সময় কেন্দ্র দুটির তিনটি ইভিএম মেশিন ভেঙে ফেলা হয়। ভাংচুর করা হয় তিনটি বাস ও একটি মোটরসাইকেল।

২৮ নম্বর পাঠানটুলী ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাহাদুর ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল কাদের সমর্থকদের মধ্যে বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে মারামারি ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এখানে একটি কেন্দ্র থেকে আবদুল কাদেরের এজেন্টদের ধরে নিয়ে থানায় আটকে রাখে ডবলমুরিং থানা পুলিশ। কাদেরের স্ত্রী সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন।

দুই পুলিশ আহত : সকাল ১০টায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মুরাদপুর এলাকার একটি ভোট কেন্দ্র থেকে বিএনপি প্রার্থীর এজেন্টকে বের করে দেওয়ার ঘটনায় দুই পক্ষে সংঘর্ষ বাধে। পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কাশেম যুগান্তরকে বলেন, দুই পক্ষের সংঘর্ষ থামতে গিয়ে পাঁচলাইশ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুল মোতালেব ও আবু তালেব আহত হয়েছেন।

ভোট বর্জন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীর : ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে দুপুরেই ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী জান্নাতুল ইসলাম (হাতপাখা)। নিজের ভোটটিও দিতে না পেরে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন ১৪, ১৫ ও ২১ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডের বিএনপি সমর্থিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থী মনোয়ারা বেগম মনি।

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি লালখানবাজার শহীদনগর সিটি করপোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোট দেওয়ার জন্য গেলে সেখানে প্রতিপক্ষ প্রার্থীর সমর্থকরা ভোটদানে বাধা দেন তাকে। এ অভিযোগে তিনি লালখানবাজার শহীদনগর সিটি করপোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে রাস্তায় বসে প্রতিবাদ জানান এবং ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। ১১ নম্বর দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোরশেদ আকতার চৌধুরীও ভোট বর্জন করেন।

দুই কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত : ভোট কেন্দ্র দখল, ইভিএম মেশিন ভাংচুর ও সহিংসতার অভিযোগে ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের দুটি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়। কেন্দ্র দুটি হচ্ছে- পাথরঘাটা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও জেএম সেন স্কুল ও কলেজ ভোট কেন্দ্র। রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান যুগান্তরকে এ তথ্য জানান।

JUGANTOR

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *